Alipur ZooOthers 

২ অক্টোবর থেকে চিড়িয়াখানা-সহ রাজ্যের ১২টি পশুশালা খুলছে

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : অক্টোবরে খুলে দেওয়া হবে চিড়িয়াখানা। বনাঞ্চলও করোনার আবহে বন্ধ ছিল। উল্লেখ্য, গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ বনদপ্তরের অধীনে থাকা রাজ্যের সব চিড়িয়াখানা-সহ বনাঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রগুলি। সূত্রের খবর, দীর্ঘ ৬ মাসের বেশি বন্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত খোলা হচ্ছে রাজ্যের সবকটি চিড়িয়াখানা, ইকো ট্যুরিজম পার্ক ও গার্ডেনগুলি। সূত্রের আরও খবর, আগামী ২ অক্টোবর থেকে আলিপুর ও দার্জিলিং চিড়িয়াখানা-সহ রাজ্যের প্রায় ১২টি পশুশালা খোলা হবে।

পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে পুজোর পূর্বেই চিড়িয়াখানা খোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বনদপ্তর। পাশাপাশি সব ন্যাশনাল পার্ক, ইকো ট্যুরিজম পার্ক, গার্ডেন ও বেঙ্গল সাফারি প্রভৃতি পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে দর্শকরা যেতে পারবেন। জানা গিয়েছে, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকেই দর্শকরা এই সুযোগ পাবেন। অরণ্য ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটা জানিয়েছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

বনদপ্তর সূত্রের খবর, করোনা আবহে এতদিন পর্যন্ত রাজ্যের চিড়িয়াখানা সহ-বনাঞ্চলগুলিতে পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। এবার করোনা গাইডলাইন মেনে পার্কগুলি আবারও খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সব স্থানে স্যানিটাইজার ও মাস্ক ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আরও জানা যায়, সব পর্যটকদের থার্মাল গান দিয়ে দেহের তাপমাত্রা মাপাও হবে। তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে তবেই প্রবেশের অনুমতি মিলবে।

বনদপ্তর সূত্রের আরও খবর, চিড়িয়াখানা খোলা হলেও কয়েকটি বিষয় এবার থেকে মাথায় রাখতে হবে পর্যটকদের। টিকিট কাটতে হবে অনলাইনে। বনদপ্তরের অধীনে থাকা রাজ্যের সব পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে অনলাইন টিকিট ছাড়া প্রবেশের অনুমতিও মিলবে না। জানা গিয়েছে, চিড়িয়াখানার ক্ষেত্রে বিশেষ, ‘e Zoo Kolkata’ রয়েছে। সেখান থেকেই ই-টিকিট কাটতে পারবেন পর্যটকরা। আলিপুর চিড়িয়াখানায় প্রতিদিন ৫০০০ জন দর্শক প্রবেশ করতে পারবেন। ওই সংখ্যার টিকিট বিক্রি হয়ে গেলে ই-টিকিট পাবেন না পর্যটকরা। আবার বেঙ্গল সাফারিতে প্রতিদিন ৩০০০ দর্শক এবং দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানায় রোজ ২০০০ পর্যটক প্রবেশের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Related posts

Leave a Comment